নারী কতটা নিরাপদ - ঘরে, বাইরে, অনলাইনে?

নারীরা স্বভাবগত ভাবে ধৈর্যশীল, সংবেদনশীল ও  সুক্ষ বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন। তারা ঘরে, বাইরে দুই জায়গাতেই সমান নিষ্ঠা আর পরিশ্রম প্রয়োগ করতে পারে। পুরুষের চাইতে তাদের দেখার চোখ আলাদা, বোঝার ক্ষমতা আলাদা। তাই সময় আর পরিবেশ তাদের অনুকূল হোক বা না হোক, তারা যে কোনো পরিবেশে, যে কোনো পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তাদের মধ্যে যেমন আছে আত্মরক্ষার তাড়না, তেমনি আছে আত্মত্যাগের বাসনা।

একবিংশ শতাব্দীতে নারীরা তাদের যোগ্যতা, মেধা আর শ্রম দিয়ে সমাজের বিভিন্ন পেশায় এবং কর্মক্ষেত্রে শীর্ষ স্থানীয় পদ অর্জন করেছে। তবে  বিশ্বজুড়ে নারীদের সাথে এতো অন্যায়, অবিচার, অসম আচরণ এবং নিরাপত্তাহীনতা আমাদের সমাজে নারীর জীবনে নিত্যদিনের সঙ্গী। সার্বিক নিরাপত্তা তা সে হোক আর্থিক বা সামাজিক, মৌখিক বা লিখিত, একক বা দলীয় - এই বিষয়টি নারীর জন্যে এখনো অনেক দূরের একটি লক্ষ্য হিসেবে বিরাজমান।  

বর্তমান আধুনিক যুগে একদল নারী যখন লিঙ্গ সমতা আর নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে সোচ্চার, নিজেদের অধিকার নিয়ে লড়াই করছে, তারাই একসময় থমকে দাঁড়িয়ে ভাবছে - আমাদের নিরাপত্তা যেখানে সুনিশ্চিত নয়, সেখানে সমতাতো অনেক পরের কথা। এক মৌলিক ভাবনা তাদের মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে - যে পুরুষের সাথে আমি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমান জায়গায় দাঁড়াবো, সেই পুরুষের সাথে কি আমি আদৌ নিরাপদ? 

ঘরে, বাইরে বা অনলাইনে - নারী কতটা নিরাপদ? তাদের নিরাপত্তা নিয়ে কি কেউ ভেবেছে বা ভাবছে?

বাবা, স্বামী, ভাই, কাজিন, প্রেমিক, অফিসের বস, ক্লাসের বন্ধু, সহকর্মী, প্রতিবেশী, কারো সংগে কি একজন নারী পুরাপুরি নিরাপদ? 

নারীদের প্রতি সহিংসতা সর্বকালই চলে এসেছে। বিভিন্ন এলাকায়, বিভিন্ন অঞ্চলে, বিভিন্ন দেশে, পুরো পৃথিবীতে। শুধু ধরনগুলো ভিন্ন। নারীরা লাঞ্জিত হয়েছে নিজের বাড়ীতে, অন্যের বাড়ীতে, অফিসে আদালতে, হোটেলে, হোস্টেলে, স্কুলে, বাসে, রাস্তায়, পার্কে, খোলা প্রাঙ্গনে, অথবা অনলাইনে, ইন্টারনেটে। 

প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত, কোথাও না কোথাও।

মেয়েরা বরাবরই দূর্বল লিঙ্গ হিসেবে পরিচিত। মেয়েরা খুব সহজেই অপমান, অসম্মান, হয়রানি, অপদস্ততার শিকার হয়। সামাজিক ভাবে চতুরতা বা অন্যায় আচরণের শিকার হয়। তারা অর্থনৈতিক বা সামাজিক ভাবে একটি শক্ত অবস্থানে থাকলেও অনেক সময় ঘরের চার দেয়ালের মাঝে, নিজেদের বাড়িতে তারা নিগৃহীত। স্বামী, বাবা, বড় ভাই বা শ্বশুরবাড়ির লোকের দ্বারা তারা নির্যাতিত এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার। এটা শহরে বা গ্রামে যে কোনো জায়গায় হতে পারে।

অনেক সময় মেয়েদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জায়গাটা নড়বড়ে হয়ে যায়। শহরে বা গ্রামে, বাড়িতে কিশোরী মেয়ে বা অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা দারুণ ভাবে হেনস্তার শিকার হয়। তাদেরকে সহজেই যে কোনো কিছু বোঝানো যায় এবং যে কোনো কিছু করতে বাধ্য করা যায়। জীবন সম্পর্কে অনভিজ্ঞ হওয়ায়  তাদের সাথে অনেকে সুযোগ নেয়। আর এক্ষেত্রে তাদের পরিচিত, ঘনিষ্ট আত্মীয়স্বজন বা পাড়া প্রতিবেশীর সক্রিয় ভূমিকা থাকে। তারা যাকে ভালোবাসে, বিশ্বাস করে, অথবা নির্ভর করে, বেশির ভাগ সময় সেসব মানুষেরা তাদের সুযোগ নেয়। তাদের মনে কষ্ট দেয়, তাদের সর্বনাশ করে, অনেক সময় ডেকে আনে মৃত্যু।

অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া পল্লবী এলাকার আট বছরের বালিকা রামিসার উপর পাশবিক নির্যাতন এবং তার ভয়াবহ মৃত্যু আরো একবার আমাদের সবাইকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে মনে করিয়ে দেয় যে, মেয়েরা কোথাওই, কারো সাথে নিরাপদ নয়। তা সে হোক নিজ গৃহ বা পাশের বাড়ি, অচেনা কেউ বা দীর্ঘদিনের পরিচিত। 

অনলাইন দুনিয়ায়ও নারীদের অবস্থান এমন কিছু ভালো নয়। সোশ্যাল অ্যাপ খুললেই দেখা যায় ঝলমলে পোশাকের আকর্ষনীয় নারী, রোম্যান্টিক চেহারার নারী, নায়িকাসুলভ আবেদনময়ী নারী, মমতাময়ী হাসিমাখা মুখের নারী। এই প্ল্যাটফর্মে আরো দেখা যায়, বিভিন্ন পেশায় কর্মরতা নারী, মিডিয়া ইনফ্লুএন্সার নারী, শাড়ি গহনা বিক্রি করা নারী, সফল উদ্যোক্তা নারী, ব্লগার, ইউটিউবার নারী, টিকটকার নারী। সামাজিক মাধ্যমে নারীরা নিজেদের যেমন পরিপূর্ণ ভাবে তুলে ধরে, তেমনি তুলে ধরে নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত। কারন তারা অনলাইন কম্যুনিটির কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেতে চায়, মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দুতে আসতে চায়। নিজের ব্যক্তিগত বিবরণ পাবলিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরতে তারা দ্বিধা বোধ করেনা। তাই ডিজিটাল দুনিয়াতেও নারীরা বড় রকমের ষড়যন্ত্রের শিকার। 

ডিজিটাল দুনিয়ায় আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ। যেখানে মেয়েদের সম্মতি ছাড়াই তাদের ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে অনেক আপত্তিজনক বা অসামাজিক কনটেন্ট তৈরি করা হয়।  মিথ্যা প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, গোপনে সেসবের ছবি বা ভিডিও তুলে অনলাইনে ছেড়ে দেয়া, অথবা ব্ল্যাকমেইল করে টাকা চাওয়া অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েদের সর্বনাশের কারন হয়। অনেক নারী এই হুমকি থেকে কখনো বেরিয়ে আসতে পারেনা। অনলাইনে প্রেমের ফাদে পড়ে নারী পাচারকারি দলের পাল্লায় পড়া বা কোনো রকমে জান নিয়ে ফেরত আসা, অনেক সুবিধা বঞ্চিত মেয়েদের জীবনে দূর্ভাগ্য বয়ে আনে । এরা কখনো স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসতে পারেনা। 

সমাজে নারীদের পণ্য হিসেবে ব্যবহার করার প্রচেষ্টা বহু যুগ ধরে বিদ্যমান। নাটক, সিনেমা, মডেলিং, বিভিন্ন প্রোগ্রামে তরুনি মেয়েদের পুঁজি করে অধিক মুনাফা লাভ, শো এর কাটতি বাড়ানো, রেটিং বাড়ানো, ফলোয়ারস বৃদ্ধি, এগুলো পন্থা ব্যবহার হয়ে আসছে। এছাড়া মডেলিং ও সিনেমার প্রলোভন দেখিয়ে, সেলেব্রিটি হওয়ার আশা জাগিয়ে অল্পবয়স্কা কিশোরী, তরুণীদের নিয়ে আসা হয় অন্ধকার জগতে। বাধ্য করা হয় অপরাধমূলক কান্ড কর্মে। কিছুদিন আগে আমেরিকার কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক এপ্সটিন ও তার ভয়ংকর নেটওয়ার্ক এর রোমহর্ষক বিবরণ সারা দুনিয়ার কাছে উন্মোচন করেছে, শিশু ও কিশোরী মেয়েদের উপর নির্যাতন ও তাদের হত্যাযজ্ঞের কথা। এখানেও বড় বড় রাঘব বোয়াল ধরতে অল্পবয়স্ক মেয়েদের পণ্য ও প্রলোভন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।   

আসলে মেয়েরা দুনিয়ার কোনো দেশেই সুরক্ষিত নয়। আমেরিকার মত উন্নত দেশের চিত্র ভয়াবহ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে মেয়েদের সামাজিক অবস্থা আরো নাজুক হয়ে পড়েছে। গত বছরের এক জরিপ অনুযায়ী, শতকরা ৪১ ভাগ মেয়ে কোনো না কোনো ভাবে শারীরিক লাঞ্জনার শিকার হয়েছে।  এদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ নারী তাদের স্বামী, প্রেমিক বা খুব কাছের বন্ধু দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে। প্রতি পাঁচজনের একজন আমেরিকান নারী তাদের জীবদ্দশায় ধর্ষনের শিকার হয়। আর প্রতি চারজনে একজন মেয়ে, তাদের কিশোরী বয়সে ১৮ বছর হওয়ার আগেই কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা বয়ফ্রেন্ড দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়।  

আমেরিকার গান(বন্দুক) কালচার এটার জন্য অনেকাংশে দায়ী। বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র ইস্তেমাল করে পুরুষেরা নিজেদের ক্ষমতাধর মনে করে। অনেক সময় এরা বন্দুক ব্যবহার না করে শুধুমাত্র বন্দুকের ভয় দেখিয়ে মেয়েদের মানসিক ভাবে নির্যাতন করে থাকে। ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের আরো একটি প্রধান কারন হলো গর্ভপাত নিষিদ্ধকরণ আইন যা কিনা আমেরিকার ২০টির মত স্টেটে কার্যকরী করা হয়েছে। স্ত্রী, প্রেমিকা বা পার্টনারকে অসহায় ও দূর্বল ভেবে অনেক পুরুষেরাই তাদের স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ নেয়। মনে করে, বিয়ে বা ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙ্গে তাদের আর অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। তাছাড়াও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে মেয়েদের নির্যাতিত হওয়ার হার খুব বেশি। তার প্রধান কারণ এদের ফ্রি সোসাইটি এবং তাতে ছেলেমেয়ের অবাধ মেলামেশা।  

মেয়েদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ দেশের তালিকায় সবার উপরে স্থান পেয়েছে ডেনমার্ক। এছাড়াও প্রথম পাচটি দেশের মধ্যে স্থান পেয়েছে আইসল্যান্ড, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড। এই সব দেশগুলোতে অপরাধ বৃত্তির হার খুব কম এবং ছেলেমেয়ে উভয় লিঙ্গের মধ্যে সমতা খুবই কাছাকাছি। আমেরিকার অবস্থান এই তালিকার ৩৭ তম আসনে। আর বাংলাদেশে অবস্থান করছে ১৫২ থেকে ১৫৫ এর মধ্যে। 

বাংলাদেশে নারী অগ্রগতি ও নারীদের সঠিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে অনেক আশাব্যাঞ্জক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু জরীপ এর সংখ্যাগুলো দেখলে বোঝা যায় সামাজিক স্তরে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন এখনো কতটা জরুরী। শতকরা অর্ধেকেরও বেশি প্রায় ৫৪ শতাংশ বাংলাদেশি নারী, পুরুষ দ্বারা নির্যাতনের শিকার। ৫১ শতাংশ মেয়ের বিয়ে আঠারো বছরের আগেই সম্পন্ন হয়। দুঃখজনক হলেও সত্যি, প্রায় ৮২ শতাংশ বিবাহিত মেয়ে/মহিলা তাদের স্বামী বা প্রেমিক দ্বারা কোনো না কোনো ভাবে নির্যাতনের শিকার।

নারীরা কোথাও পুরাপুরি নিরাপদ নয়, সুরক্ষিত নয়। যেই পুরুষ তাদের রক্ষক, সেই পুরুষই যদি হয় তাদের ভক্ষক বা আক্রমণকারী, তাহলে আর কোথায় যাবে তারা। এক বছর বয়সের শিশু থেকে শুরু করে ষাট বছর বয়সী মহিলা, কেউই রেহাই পায়না। আধুনিক, রক্ষণশীল, চাকুরীজীবী, হাউসওয়াইফ, শিক্ষার্থী, মানসিক প্রতিবন্ধী, কেউই রেহাই পায়না। এর অন্যতম কারন, নারীদের প্রতি পুরুষের বিকৃত মানসিকতা। 

নারীরা ভোগ্য পণ্য নয়, এই মানসিকতার পরিবর্তন আনা বিশেষ ভাবে জরুরী। সরকারের উর্ধবতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে গৃহহীন পথশিশু পর্যন্ত সবার মধ্যে, শহরের আধুনিক ক্লাব-রেস্তোরা থেকে শুরু করে গ্রামেগঞ্জের সিনেমা হল, চায়ের দোকান, সব জায়গায়।  

কোনো অপরাধী অপরাধ করার অনেক আগে থেকেই তার মানসিকতা গঠিত হয়। প্রতিটা পুরুষের জীবন শুরু হয় একজন মা'র কাছ থেকে। তাই শুরু করতে হবে একেবারে ঘর থেকে, শিশুকাল থেকে। প্রতিটি ছেলেশিশুকে বোঝাতে হবে মা'কে সম্মান দেয়ার কথা। বড় হতে হতে বোঝাতে হবে জীবনে স্ত্রী, মা, বোনের ভুমিকার কথা, মেয়েদের প্রাপ্য মর্যাদার কথা। সন্তানদের সামনে সংসারের বাবাকে দেখাতে হবে, কি করে স্ত্রীকে বা বাচ্চাদের মা'কে সম্মান দিতে হয়। সংসারে প্রতিষ্ঠা করতে হবে ছেলে, মেয়ে যাই হোক, দুজন সন্তানই সমান অংশের ভাগীদার। সেই সাথে বোঝাতে হবে, বাবা আর মা দুজনেই সন্তানের কাছ থেকে সমান শ্রদ্ধা পাওয়ার দাবীদার। 

একজন মেয়ে হয়ে আর একজন মেয়েকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয় কিভাবে? ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। একজন মেয়ে হয়ে বিপদে পড়া আর একজন মেয়ের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে, বাড়িয়ে দিতে হবে সাহায্যের হাত। মেয়েদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি করতে হবে। নাটক, সিনেমার পাশাপাশি মেয়েদের জন্যে আত্মসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান চালু করতে হবে যাতে করে মেয়েদের কমন সেন্সের সম্প্রসারণ ঘটে। যাতে করে তারা সঠিক বিচার বুদ্ধি দিয়ে তাদের আশেপাশের মানুষ ও পরিবেশকে পরখ করে দেখতে পারে। 

সামাজিক ভাবে সুষ্ঠ বিচার ব্যবস্থা, কঠোর আইন প্রয়োগ, দৃষ্টান্তমূলক  শাস্তির ব্যবস্থা, কাউন্সেলিং এর সুযোগ, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা, মাদকদ্রব্য চোরাচালান বন্ধ, মেয়েদের কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা, মেয়েদের আত্মরক্ষার কৌশল ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামেগঞ্জে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। একটা খারাপ কাজের খবর, আরো একটা খারাপ কাজের ইন্ধন জোগায়।  ডিজিটাল আইনকে মানবিক নৈতিকতা ক্ষরণ রোধে ব্যবহার করতে হবে। 

নারীপুরুষ উভয় নিয়েই আমাদের সমাজ। নারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির দায়িত্ব শতভাগ যেমন পুরুষের, শতভাগ তেমনি  নারীরও। নারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে তাই সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে। এই কঠিন যুদ্ধে নারী একলা লড়তে পারবেনা। পুরুষের মোকাবেলা করতে নারীদের, পুরুষেরই সাহায্য নিতে হবে। সুস্থ মানসিকতার পুরুষ। 

আত্মবিশ্বাসী, সাহসী নারীদের সাথে এগিয়ে আসবে সহনশীল, সমঝদার পুরুষেরা। তবেই না নারী জাতি নির্ভয়ে কথা বলবে, নির্ভয়ে জীবনযাপন করবে। 

Comments

  1. Amazing writeup, very timely. I used to think that only girls suffer abuse. But, somewhat free press in America opened my eyes that boys also suffer abuse, slightly lower rate than girls. America is not a religious country (although it may be changing), but in an Islamic country like Bangladesh, this should not happen. But it does. This reminds us that we need to be humble about real change, change that brings peace and justice to 8+ billion people on earth. Religion failed, communism failed. Democracy and individual rights and freedom should work, but, in a manipulative democracy all bets are off. Thanks again for a very timely writeup tackling one of the worst issues of our society. I enjoy reading your blog.

    ReplyDelete
  2. একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে এবং তা সমাধানের অনেক উপায় আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে শিশু পুরুষদের সঠিক শিক্ষা, নারীদের সচেতনতা ও নারী শিক্ষা আমার কাছে মূল্যবান মনে হয়েছে।

    ReplyDelete

Post a Comment